সাকিবের কাঁকড়ার খামারে বুলবুলের আঘাত

শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দাতিনাখালী এলাকায় ৩৫ বিঘা জমির ওপর চার বছর আগে কাঁকড়ার খামার গড়ে তোলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। নাম দিয়েছেন ‘সাকিব অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেড’। এখান থেকে উৎপাদিত কাঁকড়া প্রক্রিয়াজাত করে পাঠানো হয় বিদেশে।

ঘটনাস্থল থেকে আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, ক্রিকেটার সাকিবের কাঁকড়ার খামার ও অন্যদের মাছের ঘের পানিতে সব মিশে গেছে। কোনটা সাকিবের কাঁকড়ার খামার আর কোনটা মাছের ঘের সেটি এখন বোঝা যাচ্ছে না। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে সব। তবে সাকিবের খামারের বেড়িবাঁধ মজবুত থাকায় বাঁধের কোনো ক্ষতি হয়নি।

বছরের ছয় মাস খামারের কার্যক্রম চলে। বাকি ছয় মাস বন্ধ থাকে। এই ছয় মাস খামারের পুকুরগুলো কাঁকড়া চাষের জন্য প্রস্তুত করা হয়। বর্তমানে আমরা সেগুলো প্রস্তুত করছিলাম। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে পুকুরগুলো পানিতে ভেসে গেছে। খামারের টিনের বেড়াগুলো উল্টে পড়েছে। এছাড়া খুব বেশি ক্ষতি হয়নি।

তিনি জানান, সুন্দরবনের নদীগুলো থেকে কাঁকড়া সংগ্রহের পর সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে এখান থেকে বিদেশে রপ্তানি করা হয়। নদী থেকে ৮০-১২০ গ্রাম ওজনের কাঁকড়া সংগ্রহ করা হয়। সেগুলো প্রজেক্টের ফার্মে বক্সে রাখার পর নতুন করে খোলস বদলায়। খোলস বদলানোর পর সফট কাঁকড়া সংগ্রহ করে প্রসেসিং করে প্যাকেটজাত করা হয়। এগুলো বিদেশে অনেক দামে বিক্রি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *