বই আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে

বই আপনার মেজাজ ঠিক করতে আর মনের ব্যাটারি রিচার্জে সাহায্য করে।

মানসিক চাপ কমিয়ে পুনর্জীবিত করে তোলে

সঠিক ধরনের সাহিত্য আপনাকে যে কোনো বিষয় সম্পর্কে একটি নতুন দৃষ্টিকোণ দিতে সক্ষম।

যেটা কিনা আপনার মনকে সতেজ করে তুলতে সাহায্য করে। সাহিত্যিকদের মতে ‘একটি বই মূলত আপনাকে যে বার্তাটি দেয়, সেটি হলো নিজের নীতিতে অটল থাকার। এ কারণে নানা ধরনের মানসিক পীড়া থেকে মুক্তি মেলে আর মন পুরো পরিশুদ্ধ নতুনের মতো হয়ে যায়।’ নিজের ঘরের বাইরে না গিয়েও বইয়ের মাধ্যমে আপনি বিশ্ব ভ্রমণ করতে পারবেন।

‘একটি চলচ্চিত্র বা টিভি অনুষ্ঠানে আপনাকে ছবি দেখানো হয়, যেখানে একটি উপন্যাসের সাহায্যে আপনি সেই ছবি বা দৃশ্যপট নিজেই তৈরি করেন। সুতরাং বই আসলে অন্য যে কোনো মাধ্যমের চাইতে অনেক শক্তিশালী। কারণ এতে আপনি অনেক বেশি জড়িত।’

চিন্তায় শৃঙ্খলা আনতে সাহায্য করে বই

 জীবনে চলার পথে মাঝে মাঝে আপনাকে পেছনের সময়গুলোতে টেনে নিতে পারে বই- যা অনেক বড় একটি পাওয়া। আপনি নিজেকে আরও ভালোভাবে জানতে পারবেন কারণ আপনি নিজের মনের স্তরগুলোয় বিচরণের সুযোগ পাবেন এই বইয়ের মাধ্যমে। যেগুলো আপনার মাথায় এতদিন পেঁয়াজের স্তরের মতো একটার সঙ্গে একটা জুড়ে ছিল।’

কিশোর-কিশোরীরা সংকোচের কারণে যেসব কথা সবার সঙ্গে বলতে পারে না সেটা তারা বইয়ের মাধ্যমে পড়ে নিতে পারে নিঃসংকোচে। তরুণদের মনকে সহায়তা করছে।

তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তরুণদের জন্য এখন আরও বেশিসংখ্যক উপন্যাস লেখা হচ্ছে- যা কিশোর-কিশোরীদের তাদের প্রতিদিনের জীবনে যে বিষয়গুলো মোকাবিলা করতে পারে, সেগুলো মোকাবিলায় সাহায্য করবে। সেটা হত পারে বুলিং বা কটূক্তি, মাদক, সমকামিতা, সামাজিক বর্জনসহ আরও নানা ইসু্য।’

বই পড়ার যেমন মানসিক উপকার রয়েছে, তেমনটা কি লেখার ক্ষেত্রেও আছে? আসলে একজন লেখকের জীবন মানসিক স্বাস্থ্যের বিবেচনায় অনেকটা একটি মিশ্র ব্যাগের মতো। যার মধ্যে অনেক প্রয়োজনীয় কিছু থাকে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *