পড়লেই হয় না, জীবনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়

প্রতিবছর গ্র্যাজুয়েট বাড়ছে, জনসংখ্যাও বাড়ছে। কিন্তু যত সংখ্যক গ্র্যাজুয়েট হয়ে আসছে ততটা চাকরি বাড়ছে না। তাই বাজারে ব্যাপক প্রতিযোগিতা রয়েছে। দিন দিন ব্যাপক প্রতিযোগিতার মুখেও পড়তে হচ্ছে চাকরিপ্রত্যাশীদের। 

প্রতিদিনই আমাদের অফিসের দরজায় কেউ না কেউ দাঁড়িয়ে থাকে কাজের জন্য। তার যোগ্যতা এবং আমার যে প্রয়োজনীয়তা, এর মধ্যে একটা বিস্তর ব্যবধান আছে। কাজেই পাস করলেই শুধু যোগ্য হওয়া যায় না, এটা মাথায় রাখতে হবে। এবং প্রত্যেকেই কিন্তু মোটামুটিভাবে একই ধরনের বিষয় পছন্দ করেন। হয়তো কেউ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বলেন বা কোথাও কেউ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ, এমবিএ করছেন। এটাই মোটামুটি ট্রেন্ড।

মাঝে মাঝে আমরা বলি যে একটি কাগজ নিয়ে একটু লিখেন আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো কী ছিল। লিখতে পারে না কেউ। জীবনের সঙ্গে একটা যোগাযোগ রাখতে হয়। পড়লেই শুধু হয় না, বা পাস করলেই হয় না। কাজেই আমার একটা উপদেশ থাকবে সেটা হলো, যে যেটা করে আনন্দ পান, যা করতে চান, সেটা করেন। সব সময় যে চাকরিই করতে হবে, এটা ঠিক না। আপনি যদি স্টার্টআপগুলোর সংখ্যা দেখেন, তাহলে বুঝবেন আজকাল কী পরিমাণ স্টার্টআপ হচ্ছে। বিদেশে কিন্তু শতকরা ৯৯ ভাগ ঝরে যায়। আমাদের এখানে শতকরা ৯৯ ভাগ স্টার্টআপ দাঁড়িয়ে আছে। তার মানে, প্রত্যকেই কিন্তু উদ্যোক্তা হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। স্বপ্ন দেখার যোগ্যতা রাখেন। সব সময় চাকরি না খুঁজে নিজের মধ্যেই নিজের মানুষটাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *